"সানি, তাসকিন মুখের গল্প "
আমাদের ভাগ্য ভাল হাটু ভেঙ্গে বল করার জন্য অবৈধ ঘোষণা করা যায় না! তাহলে মাশরাফিও নিশ্চিত অবৈধ ঘোষণা হইতো!
হয়তো বা নিষিদ্ধ করা হলেও মাশরাফি ভারতীয় বোলার বুমরাহ এর মত প্রতিবন্ধী কৌটায় খেলার জন্য আবেদন করতো না !
সবাই নির্লজ্জ না! সানিকে নিয়ে হয়তো বা আমাদের সবার একটু সন্দেহ ছিল,তবে তাসকিন পুরোপুরি সন্দেহের বাইরে ছিল!
কিন্তু দিনশেষে নাটকটা যেহেতু আইসিসি এর মত অস্কারপ্রাপ্ত পরিচালকের হাতে গড়া হবে,সেহেতু আমাদের স্বাভাবিক চিন্তা করাটা উচিত হয় নি!
রাজা রাজ-দরবারে ডাকবে আর শাস্তি হবে না, তা কি করে হয়। তাই নাটক শেষে তাসকিন আর সানির সাথে আমাদের ১৬ কৌটি মানুষ ও "মুখে কালি মেখে" রাজ দরবার থেকে বাইর হলাম! কালিটা আইসিসি এর দেওয়া,তাদের গায়ের কালি!
নির্লজ্জতায় নিজেদের গায়ে আপনা-আপনি সৃষ্টি হওয়া কালি। আমাদের সানি কিংবা তাসকিন দলে আর আদৌ আসতে পারবে কিনা সন্দেহ! হয়তো আবেগে আমার সাথে আপনি বলবেন পারবে...
পারলেও কি ততটা ভালভাবে আগের জায়গাটা ধরে রাখতে পারবে? তবে ইতিহাস দেখুন.......
আগের নিষিদ্ধ বোলারগুলা দেখুন.... সাঈদ আজমল,সুনিল নারিন,সচিত্রা সেনানায়েক,সোহাগ গাজী,রাজ্জাক.....!!!!
১.সবগুলাই স্পিনার বোলার ছিল!
২.খেলা চলাকালীন সবগুলাই নিজেদের দেশের শীর্ষ স্পিনার ছিল! এবং সবদেশের ব্যাটসম্যানদের বিশেষ করে ভারতীয়রা এদের হাতে বিশেষ ভাবে নাজেহাল হইছে!
সাঈদ আজমলের বোলিং রহস্য ভেদ করতে না পেরে শেষমেষ আই সি সি -ই মাঠে নামল এবং আই সি সি এর হাঁকানো ছক্কায় আজও আজমল মাঠের বাইরে! একই কাহিনী সুনিল নারিন ও সচিত্রা সেনানায়েকের ও!
সুনিল নারিন একমাত্র বোলার যে সুপার ওভার মেডেন(শূণ্য রান এবং উইকেট ছিল) নিয়েছিল! ফলাফল তার জায়গাটা এখন শূণ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলে! আমাদের গাজী, রাজ্জাক ও নিষিদ্ধ হইছিল! এবং তারা মাঠে ফিরেছিল,কিন্তু দলে জায়গাটা
ধরে রাখতে পারে নি!
কারণটা যথার্থ!
আপনি সারাজীবন ভাত খাবেন ডান হাত দিয়ে, যখন কেউ একজন জোর করবে বাম হাতে ভাত খাওয়ার জন্য; বলা বাহুল্য আপনি স্বাভাবিক ভাবে ভাত খেতে পারবেন না!! হয়তো তাসকিন,সানি ফিরবে...... হয়তো বা না....! হয়তোবা সাঈদ আজমলদের ভীড়ে তারাও যোগ হবে....
আমাদের থেকে বিয়োগ হয়ে!!!! তবে,আমাদের মনে ও যোগ হতে থাকবে আইসিসির প্রতি ঘৃণা! প্রত্যেকদিন সকালে উঠা লাল সূর্যটা দেখে প্রত্যেকটা বাঙ্গালি ঘৃণার কালি ছুঁড়ে দিবে
আইসিসির প্রতি,এভাবে হাজার বছর!!!

0 comments:
Post a Comment