'তাসকিনের একটি ডেলিভারিও অবৈধ নয়'
অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদ। যদিও এটাকে মেনে নিতে পারেননি বাংলাদেশ দলের কোনো ক্রিকেটারই। ক্রিকেটারদের মতো বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও মানতে পারছেন না তাসকিনের এমন হঠাৎ প্রস্থান।
বরং তাসকিনকে নিষিদ্ধ করাকে সম্পূর্ণ অন্যায় বলছেন তিনি। যে ম্যাচে অভিযোগ উঠেছে ওই ম্যাচে কোনো বাউন্সারই দেননি তাসকিন। অথচ ম্যাচ রেফারিদের অভিযোগ তাসকিনের বাউন্সার নিয়েই। এ কারণে বিসিবি সভাপতির চোখে এটা অন্যায়। কলকাতায় সাংবাদিকদের পাপন বলেছেন, ‘তাসকিনের সাথে যেটা হলো ক্রিকেট ইতিহাসে এটাই সর্বপ্রথম। এরকম ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি। ভবিষ্যতেও ঘটবে বলে আমি মনে করি না।
এটা সম্পূর্ণ অন্যায় করা হয়েছে।’ আইসিসির সমালোচনা করে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘সারা জীবন জানতাম আইসিসির নিয়ম হচ্ছে কোনো বোলার যদি কোনো ম্যাচে অবৈধ কোনো বল করে তাকে সাসপেন্ড করা হয়। কিন্তু একটা বোলার একটা বলও অবৈধ না করে সাসপেন্ড হতে পারে ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম শুনলাম। ম্যাচ রেফারি বলেছে ওর সবগুলো ডেলিভারি সন্দেহজনক। আর ওখানে গিয়ে ওরা দেখেছে একটা ডেলিভারিও অবৈধ নয়।
তাই এমন ঘটনাকে বিরল বললেন পাপন, ‘একটা নতুন জিনিস আমাদের জন্য শেখা হলো যে কোনো বোলার যদি একটাও অবৈধ বল না করে তারপরও সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হতে পারে।
এই জিনিসটা কিন্তু আমাদের আগে জানা ছিলো না। তবে দুঃজনক হলেও এই আইন সব সময় আমাদের বেলাতেই প্রযোজ্য। আমি মনে করি এটা নিয়ে আইসিসিকে ভাবা উচিত।’ ক্ষুব্ধ বিসিবি সভাপতি আরো বলেন, ‘যদি বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপত্তির কথা বলা হয়ে থাকে এটাই সেটা। তাসকিন আমাদের প্রধান বোলার।
শুধু প্রধান বোলার নয়, সে এখন আমাদের সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলার। ১৪০ এর ওপরে গতিতে সে বল করে। গত সবগুলো সিরিজে সে দারুণ বোলিং করেছে।’ বিষয়টিতে নাজমুল হাসান পাপন এতোটাই ক্ষুদ্ধ বারবার এটাকে অবিচার বলছেন, ‘আমরা বিশ্বকাপ খেলেছি, চারটি সিরিজ খেলেছি, এশিয়া কাপ খেলেছি তখন তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। কথা বলার কোনো সুযোগও নেই।
তারপরও এটা করা হয়েছে। আমি মনে করি এটা চরম অবিচার করা হয়েছে।’


0 comments:
Post a Comment