Advertisement

Friday, March 25, 2016

1:33 AM


সোহাগী জাহান তনু হত্যার ৫দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ অপরাধের কোন কূলকিনারা করতে পারেনি। তবে অনেকেরই সন্দেহের তীর ফেসবুকে শেয়ার করা তনুর একটি স্ট্যাটাস’র দিকে।  ঐ স্ট্যাটাসে তনু একটি মোবাইল নম্বরের আটটি ডিজিট শেয়ার করে ওই নম্বর থেকে তাকে বিরক্ত করার কথা জানিয়েছিলেন। সেই নম্বরের সূত্র ধরে তদন্তের দাবি উঠেছে। ‘Jahan Zara’ নামে ফেইসবুকে সক্রিয় থাকা তনু গত ৩ নভেম্বর এক পোস্টে লেখেন, “কিছু মানুষ এত বাজে.. ০১৯৭১৮৩১৮৫.. এত কল কেন যে দিতেছে উফ…।




ওই পোস্টে সে সময় একজন প্রশ্ন করেছিলেন, “কে সে, তুমি কি তাকে চেন? রিসিভ করে কথা বল।” জবাবে তনু লিখেছিলেন, তিনি তাকে চেনেন না। বৃহস্পতিবার তনুর ওই পোস্ট শেয়ার করে ফোন নম্বরটির হদিস বের করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই। সাইফুল ইসলাম রিফাত নামে একজন ফেইসবুকে লিখেছেন, “আমি জানি, আমার এই কথায় তেমন কোনো যুক্তি নেই। তবুও, এই নম্বরটা কার সেই ব্যাপারে তদন্ত হওয়া উচিত। তনুকে এই নম্বর থেকে বিরক্ত করা হয়েছে!”   কামাল হোসাইন সোরব নামে অন্য এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এই নম্বর থেকে সোহাগী জাহান তনুকে খুব বিরক্ত করতো, কার এই নাম্বার????????” সিলেটে বেড়াতে গিয়ে তোলা কিছু ছবি সর্বশেষ গত ২০ মার্চ ফেইসবুকে আপলোড করেছিলেন তনু। ওইদিন রাতেই ময়নামতি সেনানিবাসের অলিপুর এলাকার একটি কালভার্টের রাস্তার পাশে ঝোঁপের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণীর লাশ পাওয়া যায়। পাশেই পাওয়া যায় তনুর জুতা, ছেঁড়া চুল, ছেঁড়া ওড়না। পুলিশের ধারণা, খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল তনুকে। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তনুর লাশের ময়নাতদন্ত হয়। এরপর তাকে গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুরে দাফন করা হয়। ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তনু কলেজ থিয়েটারের সদস্য ছিলেন।তার বাবা ইয়ার হোসেন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। অলিপুর এলাকায় তাদের বাসা। -

0 comments:

Post a Comment